রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০১:১৬ অপরাহ্ন
৩৯.২১ °সে

ধর্মচিন্তা


দূর্যোগের সময় রাসুল (স:) যা করতেন।

ফাইল ছবি

১৯৭৬ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী ঘুর্ণিঝড় ফনি আঘাত হানছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতিপ্রবল এ ঘূর্ণিঝড় আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

প্রাকৃতিক এ মহাবিপর্যয়ে ইতিমধ্যে দেশব্যাপী আতংক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সমুদ্র উপকূলে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক এমন দুর্যোগ-দুর্ঘটনা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, তার নির্দেশে বায়ুর দিক পরিবর্তনে এবং তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত মেঘমালাতে জ্ঞানবান জাতির জন্য নিদর্শন রয়েছে। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৬৪)

তবে মানুষের গুনাহ ও কৃতকর্মের কারণেই এ ধরনের বিপর্যয় ঘটে থাকে। সমাজে অন্যায়-অনাচার বেড়ে গেলেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের বেশি আশঙ্কা থাকে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, জল–স্থলে বিপর্যয় মানুষের কৃতকর্মের ফল। ( সুরা-৩০ রুম, আয়াত: ৪১)।

তাই বিভিন্ন হাদিসে রাসূল (সা.) প্রাকৃতিক দুর্যোগের অনেক কারণ উল্লেখ করেছেন। রাসূল (সা.) নিজেও উম্মতের ওপর এসব দুর্যোগের ব্যাপারে শঙ্কিত ছিলেন। এই উম্মতকে যেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়ে একসঙ্গে ধ্বংস করা না হয় এ জন্য রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিলে রাসূল (সা.) বিচলিত হয়ে পড়তেন। আল্লাহর শাস্তির ভয় করতেন। বেশি বেশি তওবা-ইস্তেগফার করতেন এবং সাহাবাদের তা করার নির্দেশ দিতেন। ঝড়-তুফান শুরু হলে রাসূল (সা.) মসজিদে চলে যেতেন। নফল নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।

মন্তব্যসমূহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেইজ

শিরোনাম

● ফখরুলের আসনে মান্না । ● আড়াই মাস পর নিজ মন্ত্রণালয়ে কাদের। ● জেল জুলুম উপেক্ষা করে রাস্তায় নামতে হবেঃ গয়েশ্বর ● সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণ পেলেন প্রধানমন্ত্রী। ● স্বপ্নের ট্রফি বাস্তবে ধরা দিল। ● ঈদে মোশারফ করিমের যমজ-১১ ● এত বড় দায়িত্ব নিতে হবে ভাবিনিঃ প্রধানমন্ত্রী ● পানি শূন্যতার কারণেও ঠোঁট ফাটতে পারে। ● সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা সর্বোচ্চ ১৯৮০। ● রোজার ক্লান্তি দূর করতে লেবু-আদার শরবত।